ঘুম থেকে চোখ খুলে দেখি চারিদিকে ঘুঁটঘুটে অন্ধকার, কোথায় আছি এখন? কখন
ঘুমিয়েছিলাম তাও মনে পড়ছে না। এখন কি সকাল হলো? নাকি মাঝরাত্রি? হাতড়ে
মোবাইলের স্ক্রিনে দেখি সন্ধ্যা ছ’টা বারো, তিনবার কল আননোন্ নাম্বার থেকে।
চোখদুটো ভীষণ ভারী, মোবাইলের আলো অসহ্য লাগছে। মনে হচ্ছে আমি অন্য কেউ,
চির চেনা পৃথিবীটা আজ কেমন যেনো অন্যরকম।
তীব্র খিদে আর শীতে স্নাযুগুলো সব অসাড়,সারা শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছে। এখন কেউ একটু আগুন গরম চা দিলে খেতে পারতাম, কাওকে ডাকার মত ক্ষমতা নেই, আর ডাকলেও শুনবে না কেউ। পাশের ঘরের দরজায় নক করলে তবেই দেখা মিলবে তার আগে নয়, কল করা যেতে পারে কিন্তু ইচ্ছেও করছে না। আবার চোখ বন্ধ করলাম,চিন্তা স্রোতগুলো সব এলোমোলো হয়ে যাচ্ছে ,আমি কি আবার জেগে উঠতে পারবো?
তীব্র খিদে আর শীতে স্নাযুগুলো সব অসাড়,সারা শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছে। এখন কেউ একটু আগুন গরম চা দিলে খেতে পারতাম, কাওকে ডাকার মত ক্ষমতা নেই, আর ডাকলেও শুনবে না কেউ। পাশের ঘরের দরজায় নক করলে তবেই দেখা মিলবে তার আগে নয়, কল করা যেতে পারে কিন্তু ইচ্ছেও করছে না। আবার চোখ বন্ধ করলাম,চিন্তা স্রোতগুলো সব এলোমোলো হয়ে যাচ্ছে ,আমি কি আবার জেগে উঠতে পারবো?
গতকাল বৃষ্টিতে ভিজেছি, না ইচ্ছে করে ভিজিনি, বাধ্য হয়েছিলাম ভিজতে,
বৃষ্টি পড়তে দেখলে কাজহীন মানুষের প্রেম পায়, আমার পায়নি বরং ভীষণ বিরক্ত
লাগছিল। তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে রুমে ফিরতেই চাইছিলাম, চাইলেই পাওয়া যায় না,
যিনি বলেছিলেন তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে চাইলে সমস্ত কিছু পাওয়া সম্ভব তিনি
আসলেই ভুল বলেছেন, নইলে উনি আকাঙ্ক্ষার যে মাপকাঠি তৈরি করেছেন সে অবধি আমি
পৌছাতে পারিনি। কলকাতায় একটু বৃষ্টিতে ড্রেনগুলো ডুবে যায়,জিন্সটা হাঁটুর
ওপর অবধি উঠছিলো না, ড্রেনের নোংরা ঘোলা জলগুলোকে ভাঙতে ভাঙতে মেট্রো
ধরেছি।
আচ্ছা সেদিন সন্ধ্যায় যে কোকিলটা পাশের বকুল গাছে বারবার ডাকছিলো সে কি আজও এসেছিলো? পাশের বিল্ডিংয়ের বাচ্চা ছেলেটিরও কোনো শব্দ পাচ্ছিনা কেন? যে পাল্টা কুহু-কুহু করে কোকিলটাকে রাগিয়ে দিচ্ছিল, মনে হয় ও এখন পড়তে বসেছে। এই কালো অন্ধকারে কোনো মানুষের শব্দ পেতে চাইছি, তীব্রভাবে চাইছি। এবার দরজায় টোকা পড়ছে ,স্পষ্ট শুনছি, পরপর তিনবার আবার তিনবার তারপর একটু থেমে গিয়ে আবার একই ,আমিও কি এমন করেই দরজায় টোকা দিই?
আচ্ছা আওয়াজটা কি সত্যি সত্যি হচ্ছে নাকি আমি আমার মধ্যে শব্দ তৈরি করছি?
আচ্ছা সেদিন সন্ধ্যায় যে কোকিলটা পাশের বকুল গাছে বারবার ডাকছিলো সে কি আজও এসেছিলো? পাশের বিল্ডিংয়ের বাচ্চা ছেলেটিরও কোনো শব্দ পাচ্ছিনা কেন? যে পাল্টা কুহু-কুহু করে কোকিলটাকে রাগিয়ে দিচ্ছিল, মনে হয় ও এখন পড়তে বসেছে। এই কালো অন্ধকারে কোনো মানুষের শব্দ পেতে চাইছি, তীব্রভাবে চাইছি। এবার দরজায় টোকা পড়ছে ,স্পষ্ট শুনছি, পরপর তিনবার আবার তিনবার তারপর একটু থেমে গিয়ে আবার একই ,আমিও কি এমন করেই দরজায় টোকা দিই?
আচ্ছা আওয়াজটা কি সত্যি সত্যি হচ্ছে নাকি আমি আমার মধ্যে শব্দ তৈরি করছি?

Comments
Post a Comment