ফ্রটিউরিসম একটি বিকৃত যৌনাচার। পেডোফিলিয়া, জুওফিলিয়া, এক্সবিশনিজমের
মতো এটিও একটি মানসিক ব্যাধি। এরা ভীড়ের মধ্যে মেয়েদের শরীরে হাত দেওয়া,
যৌনাঙ্গ ঘষার মতো যৌন আচরন করে। এবং এই বিকৃতি নারী-পুরুষ উভয়েরই হয়, তবে
পুরুষদের ক্ষেত্রে বেশি।
কলকাতা,ঢাকার মতো শহরে ফ্রটিউরিজমে আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো পরিসংখ্যান নেই, কারণ নিশ্চয়ই কেউ গুরুত্ব দেয়নি এবং গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি।
প্রায় প্রতিটা নারী কোনো না কোনো সময় এদের শিকার হয়েছেন দাবি করেন তাই পরিসংখ্যান চিন্তায় ফেলার মতোই হবে বলে ধারণা করা যায়। আবার কলকাতার মতো জনবহুল শহরের ভীড় বাসে ট্রেনে যারা যাতায়াত করেন সবারই কিভাবে ধস্তাধস্তি থেকে কোনোরকমে গায়ে গা ঠেকিয়ে চাপাচাপি করে যেতে হয় তার ভয়ংকর অভিজ্ঞতা আছে, তখন কে পুরুষ কে নারী ওসব ঠিক থাকেনা, এইরকম পরিস্হিতিতে অনিচ্ছাকৃত গা ঘষে যাওয়াগুলোকেও অনেক নারী ভুল করে দাবি করে বসেন ওনার গায়ে ব্যাড টাচ করা হয়েছে। যাইহোক ভুয়ো দাবিগুলোকে সাইডে রেখেও এই বিকৃতি যেভাবে আখচার চলছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। সেখানে আন্দোলনটা যেভাবেই শুরু হোক তা সাপোর্ট না করার কোনো কারণ নেই।
কলকাতা,ঢাকার মতো শহরে ফ্রটিউরিজমে আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো পরিসংখ্যান নেই, কারণ নিশ্চয়ই কেউ গুরুত্ব দেয়নি এবং গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি।
প্রায় প্রতিটা নারী কোনো না কোনো সময় এদের শিকার হয়েছেন দাবি করেন তাই পরিসংখ্যান চিন্তায় ফেলার মতোই হবে বলে ধারণা করা যায়। আবার কলকাতার মতো জনবহুল শহরের ভীড় বাসে ট্রেনে যারা যাতায়াত করেন সবারই কিভাবে ধস্তাধস্তি থেকে কোনোরকমে গায়ে গা ঠেকিয়ে চাপাচাপি করে যেতে হয় তার ভয়ংকর অভিজ্ঞতা আছে, তখন কে পুরুষ কে নারী ওসব ঠিক থাকেনা, এইরকম পরিস্হিতিতে অনিচ্ছাকৃত গা ঘষে যাওয়াগুলোকেও অনেক নারী ভুল করে দাবি করে বসেন ওনার গায়ে ব্যাড টাচ করা হয়েছে। যাইহোক ভুয়ো দাবিগুলোকে সাইডে রেখেও এই বিকৃতি যেভাবে আখচার চলছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। সেখানে আন্দোলনটা যেভাবেই শুরু হোক তা সাপোর্ট না করার কোনো কারণ নেই।
মনস্তাত্ত্বিক দিক
থেকে একজন মানুষ কেন বিকৃত যৌন আচরণ করে তার অন্যতম হলো সেক্সুয়াল
সেটিসফেকসান না পাওয়া। এই সমাজে এখনো যৌনতা একটা ট্যাবু, খোলামেলা আলোচনা
করা যায়না, স্কুলে পড়ানো হয়না, সবাই এখানে সালোকসংশ্লেষে জন্মায়। এখনো
প্রেম-ভালোবাসাকে সমাজ গুরুত্ব দেয়না। শুধুমাত্র দেহ-সর্বস্ব যৌনতাকে আজও
প্রমোট করে, তাতে সঙ্গীর প্রতি প্রেম-ভালোবাসার কথা মাথায় আনতে চায় না।
এরকম বহু ভ্রান্ত ধারণার সম্মিলিত ফল এই ফ্রটিউরিজম। প্রশ্ন হলো আন্দোলন
হচ্ছে তা নির্মূল করতেই নিশ্চয়ই, তবে তা কিভাবে ?
যৌন বিকৃতির কারণ সামান্য কিছুটা আলোচনা করেছি ওতেই বেশি বেশি করে সমাজকে উন্নত মূল্যবোধ গড়ে তোলার দায়িত্ব সবাইকে নেওয়া উচিত, হ্যাঁ এটি দীর্ঘমেয়াদী তবে এর সুফল অনেক। তারপর, কাওকে এরকম আচরণ করতে দেখলে চুপচাপ সহ্য না করে প্রতিবাদ করুন দেখবেন বহু মানুষকে পাশে পাবেনই, সাথে এও ঠিক যে আপনি বলার আগে নিশ্চিত হোন উনি ফ্রটিউরিজম আক্রান্ত।
আপনার পরিচিতকে এরকম আচরণ করতে দেখলে তাকে মানসিক অসুস্থ ভেবেই কাউন্সেলিং করাতে নিয়ে যান।
সমস্ত নারী কিংবা সমস্ত পুরুষকে ভালো বা খারাপ ভাবার মতো কোনো কারণ নেই, তাই এই সমস্ত আন্দোলনকারীদের উচিত সতর্ক থাকা যাতে লিঙ্গগত বৈষম্য কোনোভাবেই তৈরি না হয়।


যৌন বিকৃতির কারণ সামান্য কিছুটা আলোচনা করেছি ওতেই বেশি বেশি করে সমাজকে উন্নত মূল্যবোধ গড়ে তোলার দায়িত্ব সবাইকে নেওয়া উচিত, হ্যাঁ এটি দীর্ঘমেয়াদী তবে এর সুফল অনেক। তারপর, কাওকে এরকম আচরণ করতে দেখলে চুপচাপ সহ্য না করে প্রতিবাদ করুন দেখবেন বহু মানুষকে পাশে পাবেনই, সাথে এও ঠিক যে আপনি বলার আগে নিশ্চিত হোন উনি ফ্রটিউরিজম আক্রান্ত।
আপনার পরিচিতকে এরকম আচরণ করতে দেখলে তাকে মানসিক অসুস্থ ভেবেই কাউন্সেলিং করাতে নিয়ে যান।
সমস্ত নারী কিংবা সমস্ত পুরুষকে ভালো বা খারাপ ভাবার মতো কোনো কারণ নেই, তাই এই সমস্ত আন্দোলনকারীদের উচিত সতর্ক থাকা যাতে লিঙ্গগত বৈষম্য কোনোভাবেই তৈরি না হয়।


Comments
Post a Comment